0 Yorumlar
0 hisse senetleri
241 Views
0 önizleme
Rehber
Discover new business, people, create new connections and make your business successful.
-
Please log in to like, share and comment!
-
0 Yorumlar 0 hisse senetleri 417 Views 0 önizleme
-
2 Yorumlar 0 hisse senetleri 398 Views 0 önizleme3
-
0 Yorumlar 0 hisse senetleri 393 Views 0 önizleme2
-
অনুগ্রহ করে পুরো পোস্ট না পড়ে কমেন্ট / রিয়াক্ট করবেন না।
করোনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা ও ছাত্র ছাত্রীদের বর্তমান অবস্থা নিয়েঃ
যাহোক দীর্ঘ প্রতিক্ষার পরে অবশেষে সত্যি সত্যিই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললো।
সবার মনে আর মুখে মুখে একই কথা আর সংশয় ছিল।
"শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুললে ছাত্র ছাত্রীদের কি হবে !!!"
সবাই ছাত্র ছাত্রীদের নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিল, কারন এই করোনা মহামারীতে তারা যেভাবে কঠোরভাবে হোম কোয়ারেন্টাইন পালন করেছে, কোনদিন করোনার ভয়ে ঘড় থেকে বের হয়নাই, বাজার, মার্কেট, চুপি চুপি কোচিং / প্রাইভেট পড়েনাই, ঘরে বসে মোবাইলে আসক্ত হয়নাই, আর তাই এরা একপ্রকার শান্ত , ভদ্র, ব্রয়লার মুরগির মতো হয়ে গেছে। তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেছে। যেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুললেই তাদের সবার করোনা ধরবে।
অপরদিকে শিক্ষকগণ !!! আমাদের সমাজে তথাকথিত মাস্টার (আসলে মাস্টার মানে দক্ষ যদিও, তবে এক্ষেত্রে আসে প্রভু, তাই আমি সচরাচর মাস্টার কথাটাকে এভোইড করার চেষ্টা করি, কেউ বললে আমি নিষেধ করি, হয় স্যার বলবেন, না হয় ভাই বলবেন, কোন পারিবারিক বা আত্মীয়তার সম্পর্ক না থাকলে, পারত পক্ষে বয়সে আপাত দৃষ্টিতে ছোট মনে হলে নাম ধরে ডাকবেন।), এরা কি মানুষ না? একবার কেউ বলেনা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললে তাদের কি হবে। ছাত্র ছাত্রীরা তো তাও একটু আধটু বই পড়েছে, দেখে দেখে এসাইনমেন্ট চর্চা করে হাতের লেখার উন্নয়ন ঘটিয়েছে, দেখে দেখে কিভাবে লিখতে হয় তার মহা প্রশিক্ষণ হয়েছে।
কিন্তু একজন শিক্ষক..................।
সবাই বলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললে ছাত্র ছাত্রীদের কি হবে? তাদের চোখ কি মাস্টরের দিকে পরেনা, মাস্টরেরাও তো মানুষ নাকি !!! শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার পরে তাদের অবস্থা কি হবে।
সবাই বলে "খালি বসে বসে বেতন নিয়েছে।" একবারও এর বাইরে কেউ বলেনা, এখন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলেছে, যতপ্রকার জাতীয় দিবস পালনে এদেরকেই আগে লাগবে। ছুটির তালিকায় যদিও ছুটির দিন, এদের নাই কোন ছুটির দিনে নিন (ঘুম)। যেন এদেরকে ছাড়া কোন দিবসই পালন হয়না। যাও থাকে নাম মাত্র শীতকালীন গ্রীষ্মকালীন ছুটি, সেসময় চলত বোর্ড পরীক্ষা। কেউ কি কখনও বলেছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় দিবসের পরের দিন ছুটি ঘোষণা করা হউক, অথবা ছুটির তালিকা থেকে এসব দিবস ছুটির আওতামুক্ত রাখা হউক। না, কেউ বলেনি, কারন ওরা তো মানুষ গড়ার কারিগর, ওরা শিক্ষক, ওরা কারও সাথে স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারেনা। এই করোনা মহামারীর উছিলায় না হয় একটু আধটু আরাম আয়েশ করে নিলো, যেটা হয়তো অতীতের কোন পুন্যের ফল।
এবার আসি করোনা পরিস্থিতে শিক্ষকগনের (সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নাও হতে পারে) কি অবস্থা.........।।
বাড়িতে থেকে থেকে কৃষি কাজ থাকলে সেগুলো করা, ঘরের মাঝে সাংসারিক কাজে হেল্প করা, হাঁড়িপাতিল মাজা, কাপড় কাচা, বাচ্চাকে গোসল করা, খওয়ানো, নিয়মিত বাজার করা। আর এভাবেই তাদের সংসারে একটা অভ্যাস তৈরী হয়ে যাচ্ছে, গৃহিণীরা ভাবা শুরু করে দিয়েছে যে আসলেই তো এরা এতদিন কোন কাজই করতনা। এর মানে এতদিন বাজারে শিক্ষকদেরকে দোকানদারেরা বাকিখোর (মানে বেতন তুলে টাকা দিবে), আর কৃপণ ভাবতো, বেচারা এখন বারিতেও নতুন সমস্যার সম্মুখীন হবে আর গ্লানির শিকার হবে।
তাই, গৃহিণীদের প্রতি বিনয়ী নিবেদন, আপনারা কেউ এতটা অকৃতজ্ঞ ও নিষ্ঠুর হবেন না। নিরিহ স্বামী-শিক্ষক সম্প্রদায়ের উপরে সহায় ও বিনয়ী হোন। এতে করে আল্লাহ আপনাদের মঙ্গল করবেন। আর যারা শিক্ষিকা ছিলেন, তাদের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা, যারা সংসারের এত কঠিন দায়িত্ব পালন করেও তাদের শিক্ষতার চাকুরী চালিয়ে গেছেন। যেখানে সংসার চালানই এত কঠিন, সেখানে তাদের পক্ষে চাকুরী চালিয়ে যাওয়া, এত তৃতীয় মহাযুদ্ধের সমমান।
আমাদের সমাজে আরেক শিক্ষক সম্প্রদায়ের কথা ভুলেই গেছে, যারা হয়তো সরকারী কোষাগার থেকে কোন অনুদান / বেতন পান না। তারা হয়তো বিদ্যা বিতরনের মাঝে সাধ পুরন করতো ও কিছু উপার্জন করতো। এই করোনা তো আসল মহামারী তাদের কাছেই। যাদের প্রনোদনার টাকাটিও ঠিক মতো পৌঁছায়নি। তারা পারেনি অন্যের বাড়িতে গিয়ে কাজ করতে, পারেনি তারা দুস্থ্যদের খাতায় নাম লেখাতে, উপারজন থাক না থাক, তাঁদেরকে সমাজ ধরে নেয় মধ্যবিত্ত, যারা পারেনি কোন খাদ্য / ত্রান বিতরনের তালিকায় নাম লেখাতে। তবে তারা তিন বেলা ভাত না পেলেই বাইরে গেলে মাস্ক আর স্যানিটাইজার অভ্যাস ঠিকই গড়ে তুলেছেন। অনেকে এতদিনে তার পেশা পর্যন্ত পরিবর্তন করেছে। সংবাদ মাধ্যমে জেনেছি, অনেকে বাজারে কচুশাক পর্যন্ত বিক্রি করেছে, কেউ রিক্সা চালিয়ে সংসার চালিয়েছে, আবার অনেকে সংসারের গ্লানি টানতে পেরে আত্মহত্যা পর্যন্ত করেছেন। আমাদের এই সমাজ / সরকার তাদের নিয়ে একটি কথাও বলেনা। আসলে বর্তমানে তাদের অবস্থান কোথায়। তারা কি এ সমাজ, শিক্ষক সম্প্রদায় এর মাঝে পরেনা??
সেইসম্প্রদায়ের পক্ষ্য নিয়ে আজ আমাকে বলতে হয়ঃ
এসব বলে হয়তো আপনারা আমাকে আখ্যা দিবেন
উম্মাদ, অবাঞ্ছিত নতুবা রাষ্ট্রদ্রোহী বলে।
না না জানা মতে কোন রাজাও নাই,
তাই বসে বসে ............ জমজমাট ব্যবসা চলে নির্দ্বিধায়।
উপরে বসে ঈশ্বর আল্লাহ দেখছে তামাসা
পিছে তো নেই তাদের হরতা কর্তা, ভাগ্য বিধাতা।
আর তাই... !!!!! আর তাই... !!!!! আর তাই... !!!!!
আমি আমার সেই সম্প্রদায়ের মৃত্যুদণ্ডের দাবি তুলতে চাই,
আবার ভাবি মৃত্যুদণ্ড বড্ড হাল্কা শাস্তি হয়ে যায়।"
পুনশ্চঃ আমাদের সকলকেই নিজ নিজ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে হবে, যার যেখানে সম্মান দেয়া উচিত, তাঁদেরকে অবশ্যই তা দিতে হবে। মনে রাখবেন, কারও কাজের সম্মান না দিলে, কোনদিন সম্মান আশা করা যায়না, সেটা প্রতিবেশী হউক বা সংসারী হউক।
বিঃদ্রঃ এটি আমার একান্ত অনুধাবন ও মতামত। কারও সাথে দ্বিমত থাক্তেই পারে। ত্রুটি মার্জনীয়। সবার প্রতি ভালোবাসা অবিরাম।
মমিনুল স্যার - Mominul Sirঅনুগ্রহ করে পুরো পোস্ট না পড়ে কমেন্ট / রিয়াক্ট করবেন না। করোনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা ও ছাত্র ছাত্রীদের বর্তমান অবস্থা নিয়েঃ যাহোক দীর্ঘ প্রতিক্ষার পরে অবশেষে সত্যি সত্যিই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললো। সবার মনে আর মুখে মুখে একই কথা আর সংশয় ছিল। "শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুললে ছাত্র ছাত্রীদের কি হবে !!!" সবাই ছাত্র ছাত্রীদের নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিল, কারন এই করোনা মহামারীতে তারা যেভাবে কঠোরভাবে হোম কোয়ারেন্টাইন পালন করেছে, কোনদিন করোনার ভয়ে ঘড় থেকে বের হয়নাই, বাজার, মার্কেট, চুপি চুপি কোচিং / প্রাইভেট পড়েনাই, ঘরে বসে মোবাইলে আসক্ত হয়নাই, আর তাই এরা একপ্রকার শান্ত , ভদ্র, ব্রয়লার মুরগির মতো হয়ে গেছে। তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেছে। যেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুললেই তাদের সবার করোনা ধরবে। অপরদিকে শিক্ষকগণ !!! আমাদের সমাজে তথাকথিত মাস্টার (আসলে মাস্টার মানে দক্ষ যদিও, তবে এক্ষেত্রে আসে প্রভু, তাই আমি সচরাচর মাস্টার কথাটাকে এভোইড করার চেষ্টা করি, কেউ বললে আমি নিষেধ করি, হয় স্যার বলবেন, না হয় ভাই বলবেন, কোন পারিবারিক বা আত্মীয়তার সম্পর্ক না থাকলে, পারত পক্ষে বয়সে আপাত দৃষ্টিতে ছোট মনে হলে নাম ধরে ডাকবেন।), এরা কি মানুষ না? একবার কেউ বলেনা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললে তাদের কি হবে। ছাত্র ছাত্রীরা তো তাও একটু আধটু বই পড়েছে, দেখে দেখে এসাইনমেন্ট চর্চা করে হাতের লেখার উন্নয়ন ঘটিয়েছে, দেখে দেখে কিভাবে লিখতে হয় তার মহা প্রশিক্ষণ হয়েছে। কিন্তু একজন শিক্ষক..................। সবাই বলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললে ছাত্র ছাত্রীদের কি হবে? তাদের চোখ কি মাস্টরের দিকে পরেনা, মাস্টরেরাও তো মানুষ নাকি !!! শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার পরে তাদের অবস্থা কি হবে। সবাই বলে "খালি বসে বসে বেতন নিয়েছে।" একবারও এর বাইরে কেউ বলেনা, এখন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলেছে, যতপ্রকার জাতীয় দিবস পালনে এদেরকেই আগে লাগবে। ছুটির তালিকায় যদিও ছুটির দিন, এদের নাই কোন ছুটির দিনে নিন (ঘুম)। যেন এদেরকে ছাড়া কোন দিবসই পালন হয়না। যাও থাকে নাম মাত্র শীতকালীন গ্রীষ্মকালীন ছুটি, সেসময় চলত বোর্ড পরীক্ষা। কেউ কি কখনও বলেছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় দিবসের পরের দিন ছুটি ঘোষণা করা হউক, অথবা ছুটির তালিকা থেকে এসব দিবস ছুটির আওতামুক্ত রাখা হউক। না, কেউ বলেনি, কারন ওরা তো মানুষ গড়ার কারিগর, ওরা শিক্ষক, ওরা কারও সাথে স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারেনা। এই করোনা মহামারীর উছিলায় না হয় একটু আধটু আরাম আয়েশ করে নিলো, যেটা হয়তো অতীতের কোন পুন্যের ফল। এবার আসি করোনা পরিস্থিতে শিক্ষকগনের (সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নাও হতে পারে) কি অবস্থা.........।। বাড়িতে থেকে থেকে কৃষি কাজ থাকলে সেগুলো করা, ঘরের মাঝে সাংসারিক কাজে হেল্প করা, হাঁড়িপাতিল মাজা, কাপড় কাচা, বাচ্চাকে গোসল করা, খওয়ানো, নিয়মিত বাজার করা। আর এভাবেই তাদের সংসারে একটা অভ্যাস তৈরী হয়ে যাচ্ছে, গৃহিণীরা ভাবা শুরু করে দিয়েছে যে আসলেই তো এরা এতদিন কোন কাজই করতনা। এর মানে এতদিন বাজারে শিক্ষকদেরকে দোকানদারেরা বাকিখোর (মানে বেতন তুলে টাকা দিবে), আর কৃপণ ভাবতো, বেচারা এখন বারিতেও নতুন সমস্যার সম্মুখীন হবে আর গ্লানির শিকার হবে। তাই, গৃহিণীদের প্রতি বিনয়ী নিবেদন, আপনারা কেউ এতটা অকৃতজ্ঞ ও নিষ্ঠুর হবেন না। নিরিহ স্বামী-শিক্ষক সম্প্রদায়ের উপরে সহায় ও বিনয়ী হোন। এতে করে আল্লাহ আপনাদের মঙ্গল করবেন। আর যারা শিক্ষিকা ছিলেন, তাদের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা, যারা সংসারের এত কঠিন দায়িত্ব পালন করেও তাদের শিক্ষতার চাকুরী চালিয়ে গেছেন। যেখানে সংসার চালানই এত কঠিন, সেখানে তাদের পক্ষে চাকুরী চালিয়ে যাওয়া, এত তৃতীয় মহাযুদ্ধের সমমান। আমাদের সমাজে আরেক শিক্ষক সম্প্রদায়ের কথা ভুলেই গেছে, যারা হয়তো সরকারী কোষাগার থেকে কোন অনুদান / বেতন পান না। তারা হয়তো বিদ্যা বিতরনের মাঝে সাধ পুরন করতো ও কিছু উপার্জন করতো। এই করোনা তো আসল মহামারী তাদের কাছেই। যাদের প্রনোদনার টাকাটিও ঠিক মতো পৌঁছায়নি। তারা পারেনি অন্যের বাড়িতে গিয়ে কাজ করতে, পারেনি তারা দুস্থ্যদের খাতায় নাম লেখাতে, উপারজন থাক না থাক, তাঁদেরকে সমাজ ধরে নেয় মধ্যবিত্ত, যারা পারেনি কোন খাদ্য / ত্রান বিতরনের তালিকায় নাম লেখাতে। তবে তারা তিন বেলা ভাত না পেলেই বাইরে গেলে মাস্ক আর স্যানিটাইজার অভ্যাস ঠিকই গড়ে তুলেছেন। অনেকে এতদিনে তার পেশা পর্যন্ত পরিবর্তন করেছে। সংবাদ মাধ্যমে জেনেছি, অনেকে বাজারে কচুশাক পর্যন্ত বিক্রি করেছে, কেউ রিক্সা চালিয়ে সংসার চালিয়েছে, আবার অনেকে সংসারের গ্লানি টানতে পেরে আত্মহত্যা পর্যন্ত করেছেন। আমাদের এই সমাজ / সরকার তাদের নিয়ে একটি কথাও বলেনা। আসলে বর্তমানে তাদের অবস্থান কোথায়। তারা কি এ সমাজ, শিক্ষক সম্প্রদায় এর মাঝে পরেনা?? সেইসম্প্রদায়ের পক্ষ্য নিয়ে আজ আমাকে বলতে হয়ঃ এসব বলে হয়তো আপনারা আমাকে আখ্যা দিবেন উম্মাদ, অবাঞ্ছিত নতুবা রাষ্ট্রদ্রোহী বলে। না না জানা মতে কোন রাজাও নাই, তাই বসে বসে ............ জমজমাট ব্যবসা চলে নির্দ্বিধায়। উপরে বসে ঈশ্বর আল্লাহ দেখছে তামাসা পিছে তো নেই তাদের হরতা কর্তা, ভাগ্য বিধাতা। আর তাই... !!!!! আর তাই... !!!!! আর তাই... !!!!! আমি আমার সেই সম্প্রদায়ের মৃত্যুদণ্ডের দাবি তুলতে চাই, আবার ভাবি মৃত্যুদণ্ড বড্ড হাল্কা শাস্তি হয়ে যায়।" পুনশ্চঃ আমাদের সকলকেই নিজ নিজ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে হবে, যার যেখানে সম্মান দেয়া উচিত, তাঁদেরকে অবশ্যই তা দিতে হবে। মনে রাখবেন, কারও কাজের সম্মান না দিলে, কোনদিন সম্মান আশা করা যায়না, সেটা প্রতিবেশী হউক বা সংসারী হউক। বিঃদ্রঃ এটি আমার একান্ত অনুধাবন ও মতামত। কারও সাথে দ্বিমত থাক্তেই পারে। ত্রুটি মার্জনীয়। সবার প্রতি ভালোবাসা অবিরাম। মমিনুল স্যার - Mominul Sir0 Yorumlar 0 hisse senetleri 196 Views 0 önizleme
6
-
উদ্যোক্তাদের সকল কাজ আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে সম্পন্ন করতে ও ফ্রিলেন্সিং উদ্যোক্তাদের ফ্রিলেন্সিং ক্যারিয়ার গঠন করতে উদ্যোক্তা64 নিয়ে আসতেছে উদ্যোক্তা মার্কেটপ্লেস।।
সবাই পাশে থাকবেন, একে অন্যের কাজ সঠিক সময়ে, সঠিক মূল্যে করে দিয়ে সেবার মান অক্ষুন্ন রাখি।উদ্যোক্তাদের সকল কাজ আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে সম্পন্ন করতে ও ফ্রিলেন্সিং উদ্যোক্তাদের ফ্রিলেন্সিং ক্যারিয়ার গঠন করতে উদ্যোক্তা64 নিয়ে আসতেছে উদ্যোক্তা মার্কেটপ্লেস।। সবাই পাশে থাকবেন, একে অন্যের কাজ সঠিক সময়ে, সঠিক মূল্যে করে দিয়ে সেবার মান অক্ষুন্ন রাখি।0 Yorumlar 0 hisse senetleri 212 Views 0 önizleme
4
-
-
-
how are you doing?how are you doing?0 Yorumlar 0 hisse senetleri 332 Views 0 önizleme
-
UCS - উদ্যোক্তা কুরিয়ারের সফল যাত্রা শুরু।UCS - উদ্যোক্তা কুরিয়ারের সফল যাত্রা শুরু।0 Yorumlar 0 hisse senetleri 209 Views 0 önizleme
4